“দাদা …কখন গাছে জল দেবো?”
খুব নিরীহ প্রশ্ন তাই না ? ….মোটেও না ! আপনার ছাদবাগানের সবথেকে জটিল প্রশ্ন এটা ! আর এটাই সোনার কাঠি … যে কাঠির ছোঁয়ায় মরা গাছও জেগে ওঠে!
শুধু জল দিয়েই একটা মরা গাছকে বাঁচিয়ে তোলা যায় আবার শুধু জল দিয়েই একটা গাছকে মেরে ফেলা যায়।ছাদবাগানের দ্বিতীয় ভুল …ভুল ভাবে গাছে জল দেওয়া।
একবার এক মাঝবয়সী দম্পতি আমার বাগানে এসেছিলেন । আমি এমনিতে আমার বাগানে কাউকে ইনভাইট করি না , খুব নিকট আত্মীয় হলেও না। আসলে নিজেই বাগানে গাছেদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ খুব কম পাই , তার ওপর লোকজন এসে এটা কি , ওটা কি এরকম প্রশ্নবানে জর্জরিত করে দিলে নিজেকে খুব খুব অসহায় লাগে ।
এনারা জোর করে এসেছিলেন । কোথা থেকে এড্রেস জোগাড় করেছিলেন জানি না । বললেন নাকি খুজঁতে খুঁজতে চলে এসেছেন।
আমার ছোটবেলাটা কেটেছে একান্নবর্তি ফ্যামিলিতে। দাদু, ঠাকুমা, কাকা , জ্যাঠা সবাই মিলে অনেকটা বড়ো পরিবার। ফ্যামিলির হেড আমার ঠাকুমা আর ঠাকুমার ভাষায় “অতিথি ভগবান ”
তো এই “ভগবান” এসেই প্রশ্নের পর প্রশ্ন জুড়ে দিলেন। বাঘা বাঘা প্রশ্ন। মিডিয়া , কোন পোকা হলে কি দিতে হয় , npk, DAP, লাল পটাস …
অতিথি ভগবান মনে করে সব প্রশ্নের আমার বিদ্যা বুদ্ধি অনুযায়ী সঠিক পরামর্শ দেওয়া সত্ত্বেও কোনো জবাবই ওনাদের মনঃপূত হলো না। শেষমেষ একপ্রকার বিরক্ত হয়েই জিজ্ঞেস করলেন “আপনি কি করেন যে আপনার গাছ এতো ভালো হয়? সত্যি সত্যি বলবেন কিন্তু!”
খানিক ভেবে উত্তর দিলাম “দেখেশুনে সুস্থ সবল গাছ কিনে এনে সঠিক মিডিয়াতে বসিয়ে সঠিক জায়গায় রাখুন যেখানে গাছটার প্রয়োজন মতো আলো পাবে আর গাছের প্রয়োজন বুঝে ভালো জল সঠিক পদ্ধতিতে গাছে দিন…. গাছ করতে এর বেশি কিছু লাগে না”
একপ্রকার রেগে মেগেই চলে গেলেন । যাওয়ার সময় শুনিয়ে গেলেন “ছেড়ে দাও…কিছুতেই বলবে না গাছে কি দিয়েছে… শুধু ধান্দা বোঝে!”
যাইহোক , ভেবে চিন্তে যেটা বলেছিলাম সেটা কিন্তু অনেকটা গভীর উত্তর। আপনাদের অনেকেরই পছন্দ হবে না ….কিন্তু পছন্দ না হলেও এটাই সত্যি আর এটা উপলব্ধি করতেই এক একটা মানুষের সারা জীবনটা কেটে যায় !
“গাছের প্রয়োজন বুঝে ভালো জল সঠিক পদ্ধতিতে গাছে দিন ”
অনেকে ছোটো বাচ্চাকে টাইম টু টাইম জল বা খাবার দিতে থাকে। খুব খুব ভুল পদ্ধতি! বাচ্চা জন্ম থেকেই কিন্তু নিজের খিদে বা পিপাসা বোঝে । কিন্তু অনেক বাবা মা এটা বোঝে না বা বুঝতে চায় না।
জোর করে খাবার বা জল দেওয়ার থেকে বাচ্চার মুখের কাছে খাবার বা জল নিয়ে যান… যদি দেখেন টেনে নিয়ে খাচ্ছে তো ভালো…নাহলে সরিয়ে নিয়ে যান। খিদে পেলে , পিপাসা পেলে পৃথিবীতে এমন কোনো জন্তু নেই যে মুখ সরিয়ে নেয়। মানুষ ও একটা “জন্তু” ছাড়া আর কি!
আয়ুর্বেদ মতে মানুষের শরীর তিনরকম হতে পারে , Vata, Pitta আর Kapha . সবার শরীর একরকম হয় না। কারো গরমকাল ভালো লাগে , কেউ শীতকাল পছন্দ করে ….কারো শরীরে জলের চাহিদা কম , কারো বেশি । বাচ্চার শরীরে জলের চাহিদা , মা এর থেকে আলাদা হতেই পারে। কার শরীর কেমন সেটা সে ছাড়া আর কেউ ফিল করতে পারে কি?
গাছেরও শরীর আছে … ওদেরও খিদে আছে , তৃষ্ণা আছে। তবে বলার ধরনটা আলাদা। জীবজন্তুর ভাষা আর গাছেদের ভাষা আলাদা … সেই ভাষাটা শিখতে হবে । শেখার একটাই উপায় ওদের সাথে সময় কাটানো ।
অনেকটা বড়ো জিনিস বলে দিলাম। কজন বুঝবেন জানি না। গাছের সাথে সময় না কাটালে, ওদের নিজের পরিবারের অংশ মনে না করলে ওদের ভাষা বুঝতে পারবেন না। শুধু কবে ফুল দেবে , কবে ফল দেবে এই চিন্তা দিনরাত করে গেলে ওদের ভাষা বুঝতে শিখবেন না।
অনেকেই আছেন, এই সব চিন্তা মাথায় নিয়ে ঘোরেন। ওই ওর গাছে কি সুন্দর এক মাসে ফুল চলে এলো …আমারটা কেনো আসছে না … কবে আসবে?…আদৌ আসবে তো?….
এসব ভাবতে থাকলে দিনের শেষে আপনার ঝুলি শুন্য ! ফুল ফল চাই না , শুধু গাছটা যেনো ভালো থাকে সুস্থ্য থাকে এরকম একটা ভাবনা নিয়ে গাছ করুন …. দেখবেন সময় হলে ঠিক গাছ ফুল দিচ্ছে , ফল দিচ্ছে ….
সবথেকে বড় ব্যাপার এরকম ভাবনা নিয়ে গাছ করলে দেখবেন গাছের যত্ন করার সময়টাই মেডিটেশন এর মতো রিফ্রেশিং লাগছে … নিজেকে অনেক হালকা লাগছে। গাছের মতো এন্টি ডিপ্রেসান্ট খুব কম জিনিসই আছে।
প্রতিটা গাছ আলাদা । একই নার্সারি থেকে একই ভ্যারাইটির দুটো গাঁদা গাছ নিয়ে একই মিডিয়াতে বসিয়ে দেখুন … দুটোর জলের চাহিদা দুরকম। একটা ছোটো গাছ আর একটা বড়ো গাছের জলের চাহিদা এক না। ভ্যারাইটি আলাদা হলে জলের চাহিদাও বদলে যেতে পারে।
মোদ্দা কথা গাছকে দেখে বুঝতে হবে গাছ জল চাইছে কিনা। গাছ জল না চাইলে গাছে জল দেবেন না। গাছে জল কম দিয়ে গাছ যা না মরে , গাছে জল বেশি দিয়ে গাছ মরে তার হাজারগুণ!
কিন্তু বুঝবেন কি করে যে আপনার গাছটা জল চাইছে?
আপনার বাচ্চার ডিহাইড্রেশন হচ্ছে বোঝেন কীকরে ? ঠোঁট শুকিয়ে যায় , চামড়ার সেই চকচকে ভাবটা থাকে না , কিরকম যেনো শুকনো শুকনো দেখতে লাগে তাই না ?
আপনি মা হলে খুব সহজেই বুঝে যান যে আপনার বাচ্চাটার জলটান হয়েছে কিনা। কারণ যতক্ষণ জেগে থাকেন মনের কোথাও না কোথাও আপনার বাচ্ছাটাই আপনার মনে সবসময় ঘোরাঘুরি করে।
গাছও তাই ! গাছের জলটান ধরলেই দেখবেন গাছটার পাতা নুইয়ে পড়বে। পাতার উজ্জ্বলতা খানিকটা কম মনে হবে…
নতুন গাছ ঘরে এনে তাই কম জল দিয়ে শুরু করুন । একটু করে জল দিন , আর লক্ষ্য রাখুন ঠিক কদিন বাদ থেকে গাছের মধ্যে এই জলটান খেয়াল করছেন। খেয়াল করলেই আবার একটু জল দিন আর দেখুন জল দিলেই ঘণ্টা দুয়েক বাদে গাছটাকে আবার চাঙ্গা মনে হচ্ছে কিনা।
এই ভাবেই দেখবেন এক সপ্তাহের মধ্যে আপনি গাছটার জলের চাহিদা পুরোপুরি বুঝে গেছেন। একবার গাছটার দিকে তাকালেই বুঝে যাবেন জল দিতে হবে কিনা।
অনেকে দেখি গাছে জল দেওয়ার একটা নিয়ম বলে দেন…যেমন অর্কিডে গ্রীষ্ম কালে প্রতিদিন জল দিতে হয় , বর্ষাকালে তিনদিন অন্তর আর শীতকালে সপ্তাহে একবার। এতে গাছ বেঁচে থাকে এই যা …কিন্তু এতে শো কোয়ালিটির গাছ তৈরি হয় না ।
শো কোয়ালিটির চোখ ধাঁধানো গাছ করতে হলে গাছ চাইলে গাছে জল দিতে হবে। গাছ না চাওয়া সত্ত্বেও নিয়ম করে গাছে জল দিতে থাকলে গাছ আপনি যেরকম চাইছেন সেইরকম হবে না।
কিছু গাছ খুব ভালোভাবে জল চায় যেমন ধরুন পিসলিলি । জলের দরকার হলেই পাতা নুইয়ে দেবে। এরকম অনেক গাছই আছে যারা খুব ভালোভাবে জল চায়….এইসব গাছে জল দেওয়া খুব সোজা। যেই দেখবেন পাতা নুইয়ে যেতে শুরু করছে একটু করে জল দিয়ে দেবেন।
কিছু গাছ আছে যাদের জল চাওয়ার ধরন একটু অন্যরকম। যেমন ধরুন অর্কিড , হোয়া জাতীয় গাছগুলো। এদের জলটান ধরলেই দেখবেন পাতার ওপরের দিকে রিঙ্কেল আসছে…খুব সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম …খুব কাছ থেকে না দেখলে ধরতে পারবেন না। জল দেওয়ার দু ঘন্টা বাদেই দেখবেন আবার পাতা টানটান হয়ে গেছে। তাই প্রতিটা গাছ খুব কাছ থেকে দেখে জরুরী… একদিনে হবে না …তবে গাছের কাছে যেতে যেতে শিখে যাবেন।
সেকারণে গাছের কাছে যাওয়া , গাছকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখাটা খুব খুব জরুরি । শুধু গেলেই হবে না, একদম মনটাকে ফাঁকা করে নিয়ে যান , ফল বা ফুলের চিন্তা দূরে রেখে যান, নাহলে দেখবেন কিন্তু বুঝতে পারবেন না।
প্রত্যাশা মনকে অস্বচ্ছ করে তোলে , সব ক্ষেত্রেই।
কিছু গাছ আছে , যেগুলো আবার জল কম হলে গাছের নিচের দিকের পাতা হলুদ করে ঝরিয়ে দেয়। এগুলোকে বোঝা শক্ত। যে পাতা একবার হলুদ হতে শুরু করবে , কিছু করেই তার ঝরে পরা আটকাতে পারবেন না। তাই এদের একটু বেশীই খেয়াল রাখতে হবে। জবা , গোলাপ এই গোত্রের গাছ।
জলের গাছের ক্ষেত্রে এই জল দেওয়ার কাজটা খুব সোজা। জল শুকাতে না দিলেই হলো ব্যাস। জল কমে গেলে আবার একটু জল দিয়ে দিলেই কাজ মিটে গেলো।
অনেকেই জানেন না , বেশির ভাগ ইনডোর প্লান্ট কিন্তু শুধু জলেও গ্রো করা যায় ।এটাকে হাইড্রোপনিক পদ্ধতি বলে। এদের গ্রো করার টেকনিক খানিকটা আলাদা , তবে একবার শিখে নিলে অনেক নিশ্চিন্তে গাছ করা যায়। গাছ যেহেতু জলেই থাকে তাই ঘর তালা দিয়ে দশদিন ঘুরতে চলে গেলেও গাছের বিন্দুমাত্র ক্ষতি হয় না।
তবে মাটির গাছ যে নিয়মে হয় , হাইড্রোপণিক ভাবে গাছ করলে অন্য নিয়ম খাতে। অনেকটা জানতে হয় । তবে একবার শিখে গেলে মাটির গাছের তুলনায় খাটনি অনেক অনেক কম, পোকামাকড় হয় না বললেই চলে আর জল দেওয়ার টেনশন শেষ ! এই হাইড্রপনিক পদ্ধতি নিয়ে আমাদের ওয়ার্কশপে খুলব ডিটেইলসে আলোচনা করবো।
গাছে কখন জল দেবেন সেটা গাছের প্রকৃতি ছাড়াও আরো বেশ কিছু জিনিসের ওপর নির্ভর করে ..যেমন
১. ঋতু হিসাবে গাছের জলের চাহিদা বাড়ে কমে। গ্রীষ্মকালে যেহেতু পাতা দিয়ে বাষ্পমোচন বেশি হয় , তাই এই সময়ে গাছে জল বেশি লাগে। একই যুক্তিতে বর্ষাকালে গাছে জল কম লাগে ।
২. ছোটো গাছে জল কম লাগে , গাছ যতো বাড়বে , যতো বেশি পাতা ছাড়বে , জলের পরিমাণ ও বাড়াতে হবে।
৩. মিডিয়া কিভাবে বানিয়েছেন তার ওপর নির্ভর করবে গাছে কতোটা করে জল দেবেন। মাটি দিয়ে মিডিয়া করলে কি মাটি নিয়েছেন তার ওপর নির্ভর করবে কতোটা জল দেবেন। এঁটেল মাটি নিলে জল খুব কম দেবেন কারণ এই মাটি জল ধরে রাখে… দোঁআশ মাটিতে জল একটু কম ধরে রাখে …বেলে মাটি আরো কম।
সিনডার, কাঠকয়লা দিয়ে মিডিয়া করলে জল খুব কম ধরে রাখে । এদের টুকরোর সাইজ ( 2-8mm , > 8mm) কিরকম নিয়েছেন তার ওপর নির্ভর করবে আপনি কতটা জল দেবেন।
৪. পট সাইজের ওপর নির্ভর করবে কি সাইজের সিনডার নেবেন। চার বা ছয় ইঞ্চি পটে যদি >8mm সিনডার নেন তাহলে এতো কম জল ধরে রাখবে যে কোনো গাছই ঠিকঠাক বাড়বে না । তাই ৬ ইঞ্চি বা তার থেকে ছোটো পটে সবসময় ছোটো দানা সিনডার নেবেন ( ২-৮mm).
৫. পটের জলনিকাশী ব্যবস্থা কেমন তার ওপরেও নির্ভর করবে কি পরিমান জল দেবেন। জলনিকাশি ব্যবস্থা ভালো না থাকলে জল খুব বুঝেশুনে দিন।
৬. মরশুমি গাছের ফিডার রুট না ছাড়া পর্যন্ত জল দেওয়ার পরিমাণ কম রাখবেন । ফিডার রুট এসে গেলে গাছ কিন্তু বেশি বেশি জল চাইবে। তখন জলের পরিমাণ বাড়াবেন।
মোদ্দা কথা গাছে জল দেওয়া মোটেই সোজা কাজ না… বরং বোধহয় সবথেকে কঠিন কাজ! আর এই কাজটা ঠিকঠাক করতে পারলে দেখবেন বিনা যত্নে সুন্দর গাছ হচ্ছে … সবার থেকে বেশি ফুল পাচ্ছেন , সবার থেকে বেশি ফল পাচ্ছেন , গাছে কোনো পোকামাকড় লাগছে না।
কিন্তু ওই যে… গাছের সাথে সময় না কাটালে গাছের জলের চাহিদা বুঝবেন না।
আসলে গাছে জল দেওয়া অনেকটা বড়ো জিনিস। যেমন ধরুন শুধু জল দিলেই হবে না , সঠিকভাবে জল দেওয়াটাও জরুরী!
যেমন ধরুন ক্যাকটাস বা শুকুলেএনট গাছে কখনই ওপর থেকে জল দেবেন না । ভিজে বালিতে পটটা বসিয়ে রাখবেন , নিচে থেকে যেটুকু টেনে নেবে তাতেই ওদের চাহিদা মিটে যাবে।
অর্কিড, হোয়া এসব গাছে আবার ঋতু বুঝে …. গ্রীষ্ম কালে স্নান করাবেন, শীতকালে বালতিতে জল নিয়ে শুধু গোড়া ডুবিয়ে তুলে নেবেন।
কিছু গাছ আবার পাতাতে জল খুব পছন্দ করে । যেমন অধিকাংশ ইনডোর গাছ পথস, মনসন্টেরা, অগ্লোনেমা… এদের পাতাতে রোজ একবার করে জল স্প্রে করে দিন , দেখবেন গাছ কি সুন্দর আছে।
তাই “গাছের প্রয়োজন বুঝে ভালো জল সঠিক পদ্ধতিতে গাছে দিন ” ….মনে হয় কিছুটা হলেও বোঝাতে পেরেছি।
এরকম অজস্র খুঁটিনাটি জিনিস নিয়ে এই “জল দেওয়ার সাব্জেক্ট” । কেমন করে জল দেবেন , কখন জল দেবেন সেইরকম আরো একটা ব্যাপার হচ্ছে “কী জল দেবেন”।
এই পেজের তরফ থেকে প্রতি উইকএন্ডে অনলাইন ওয়ার্কশপ করানো হয় । যেহেতু অনলাইন ওয়ার্কশপ…তাই দুনিয়ায় যেকোনো প্রান্ত থেকে নিজের ঘরে বসেই ওয়ার্কশপ গুলো অ্যাটেন্ড করতে পারেন।
অজস্র মানুষ ওই ওয়ার্কশপ গুলোতে যোগ দেন …আপনিও যোগ দিতে আগ্রহী থাকলে যোগাযোগ করতে পারেন।
কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে লিখুন , অবশ্যই উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো।
পোস্টটা উপকারে লাগলে অবশ্যই শেয়ার করুন। নিজের টাইমলাইনে রেখে দিলে বাদে খুঁজে পেতে সুবিধা হবে ।
গাছপালা নিয়ে ভালো থাকুন ☘️
লেখক/লেখিকা ~ গাছপাকা
“গাছপাকা”র তরফ থেকে খোলা চিঠি :
প্রিয় পাঠক/পাঠিকা ,
গাছ নিয়ে আমাদের এই ওয়েবসাইটটি ভিজিট করার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আপনি আমাদের “গাছপাকা” পরিবারে যুক্ত হতে চাইলে হোয়াটস্যাপ করুন +916295614885 এই নাম্বারে। এটা হোয়াটস্যাপ অনলি নাম্বার , তাই কল করলে পাবেন না। এই নাম্বারে হোয়াটস্যাপ করলেই আমাদের হোয়াটস্যাপ ব্রডকাস্ট গ্রুপের লিংক পেয়ে যাবেন। ওখানেই টাইম টু টাইম সব আপডেট দেওয়া হয়।
গাছের যত্ন নিয়ে টিপস , আমাদের অনলাইন ওয়ার্কশপ হলে তার এনাউন্সমেন্ট , গাছ সেল করলে সেল রিলেটেড ইনফরমেশন , ফেসবুকে গ্রুপের কোনো ইভেন্ট হলে তার ডিটেলস , “গাছগল্প” পত্রিকার পরের এডিশন এর ডিটেলস সবকিছুই ওখানে টাইম টু টাইম পেয়ে যাবেন।
গাছপালা নিয়ে ভালো থাকুন , সুস্থ থাকুন।
ইতি
গাছপাকা
ফেসবুক পেজ লিংক –> https://www.facebook.com/share/1BBaWXTPvG/