আজ একটা গাছের গল্প বলি। বাগানের নেশা আছে বলেই অফিসের সামনে একটু করে গাছ লাগাচ্ছি। কিন্তু বিডিও অফিসের ভেতরে আমার অফিস। পাশের পাড়ার গরু ছাগল আসে ঘাস খেতে। পাড়ার ছেলেরা ক্রিকেট খেলে। এই অবস্থায় গাছ বড় করা বিষম দায়। বাড়ির বেল ফুলের ঝার থেকে শিকড় ওয়ালা একটি ডাল এনে লাগিয়ে ছিলাম আগের বর্ষায়। বেঁচে গেল বেশ। এক সোমবার অফিসে এসেই মাথায় হাত। গাছ পুরো জ্বলে গেছে কারন ঘাস মারার জন্য ওষুধ স্প্রে করা হয়েছে। প্রথমেই বেশি করে জল ঢেলে স্নান করালাম। পুড়ে যাওয়া ডাল গুলো কেটে দিলাম। পরের দিন সামনেই দেখি পরে থাকা গোবর শুকিয়ে আছে। ওটাকেই একটা মগে জল দিয়ে ভিজিয়ে রাখলাম। দুদিন পর ওই জল দিলাম গাছে। এভাবে মাঝে মাঝেই দিতে থাকলাম । ১০ দিন পর দেখছি কচি পাতা উকি দিচ্ছে। গাছের গোড়াটা বালির বড় পাথর দিয়ে ঘিরে দিলাম। বেশ ছিল। আবার একদিন এসে দেখি রাজমিস্ত্রি রা কাঠের পাটা রাখার জন্য ওই জায়গাটাই পেয়েছে। আবার উদ্ধার করলাম। কিছু ডাল ভাঙ্গলো। ১৫ দিন আগে আবার ঘাস কাটতে এসে কোদাল দিয়ে এমন চেচেছে যে আমার গাছের শুধু গোড়া ছাড়া বাকিটা সাফ। আবার সেই গোবর জলের শরণাপন্ন । অবশেষে সে এর প্রতিদান দিয়েছে। আজ স্বমহিমায়। রাজমিস্ত্রি রা এখন ইঁট দিয়ে ঘিরে দিয়েছে যাতে নষ্ট না হয়।
অনেকে গোবরের প্রাপ্তি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করতে পারেন তাই জানাচ্ছি আমি একজন ভেটেরিনারি ফার্মাসিস্ট, তাই আমার সেন্টারে রোজই গরু আসে চিকিত্সার জন্য।
লেখক/লেখিকা ~ Rupasree Dey Bhowmick
“গাছপাকা”র তরফ থেকে খোলা চিঠি :
প্রিয় পাঠক/পাঠিকা ,
গাছ নিয়ে আমাদের এই ওয়েবসাইটটি ভিজিট করার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আপনি আমাদের “গাছপাকা” পরিবারে যুক্ত হতে চাইলে হোয়াটস্যাপ করুন +916295614885 এই নাম্বারে। এটা হোয়াটস্যাপ অনলি নাম্বার , তাই কল করলে পাবেন না। এই নাম্বারে হোয়াটস্যাপ করলেই আমাদের হোয়াটস্যাপ ব্রডকাস্ট গ্রুপের লিংক পেয়ে যাবেন। ওখানেই টাইম টু টাইম সব আপডেট দেওয়া হয়।
গাছের যত্ন নিয়ে টিপস , আমাদের অনলাইন ওয়ার্কশপ হলে তার এনাউন্সমেন্ট , গাছ সেল করলে সেল রিলেটেড ইনফরমেশন , ফেসবুকে গ্রুপের কোনো ইভেন্ট হলে তার ডিটেলস , “গাছগল্প” পত্রিকার পরের এডিশন এর ডিটেলস সবকিছুই ওখানে টাইম টু টাইম পেয়ে যাবেন।
গাছপালা নিয়ে ভালো থাকুন , সুস্থ থাকুন।
ইতি
গাছপাকা
ফেসবুক পেজ লিংক –> https://www.facebook.com/share/1BBaWXTPvG/